বলা যাক

2-L

শারোদৎসবের বাজনা, উল্লাস ও ঝলমলানি মিলিয়ে এল প্রায়। উৎসবের পেটেই আরেক উৎসব চলমান। সে এক অন্য জগৎ। সে জগতে ছেলেমেয়েরা ইস্কুল যায়নি কয়েকমাস। যদিও পরীক্ষা দিতে হবে সময়েই। এর সঙ্গে ওর, তার সঙ্গে তাদের কথা বলা, দেখা সাক্ষাৎ বন্ধ। কথা বলা বন্ধ। বাড়ির চৌকাঠ ডিঙোতেই শস্ত্রধারী সেপাইয়ের প্রশ্নের বন্যা আর অপমানের ছয়লাপ। দোকান বাজার বলে কিছু আছে বলে মনে হয় না সে জগতে। চাষবাস, কারখানার মজদুরি সেসবই বা চলছে কিনা কে জানে। যদিও সেও এক জগত বটে। মানুষ ভরতি, গাছগাছালি ভর্তি, পুকুরের জল টলটল, প্রিয়জনের চোখ ছলছল সে জগতেও জীবন চলছে ধাঁইধাঁই করে। তবু চলছে না। একগাদা দামড়া দামড়া পাথর ফেলে যেন জীবনের গতি অগতি করে দিয়েছে কোনো‌ ডাকু গন্ডারিয়া। এই দেখুন, আসল কথাটাই বলতে ভুলে গেছি! এমন দেশ আছে নাকি ছাই ভূভারতে! এসব তো কল্পনা, কিম্বা গল্পনা। তা যাই হোক শারোদৎসব শেষ।‌ এবার আলোর উৎসব। যদিও কানফাটানো শব্দের আর্তনাদ আর ধোঁয়ার খকখকানি ই বেশী, তবু আলোই বলাযাক। কল্পনায় কি না হয়!

%d bloggers like this: