অহনা সরকার

দ্রৃর্ত

ভারতের বন্দিদশা ঘুচতেই আমরা পালিয়ে এলাম সীমান্তের একান্ত তীরবর্তী অংশে। নোনা দেহে আমাদের তখন যে যার মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এমন কি ছেঁড়া চটি বা মালার কণা সংগ্রহ জিনিষটা যে একান্ত জঞ্জাল এটা ঘর না ছাড়লে বোঝা যায় না। এখানে সকাল সন্ধ্যে একটাই গান, তীর ছুঁয়ে ছুঁয়ে মিঠে জলে র দারবাক্ষ। নিজেকে মনে মনে সুখর জানাই যে আমি এখনো একা, পাশ ফিরে ছিলে উঠে যাওয়া তকলিফ

কয়েক টা ছোটো ছোটো ঘাসের বন আছে, জঙ্গল ঠিক নয়, তবে এসে পড়ার মধ্য পাশ্চ্য দিনে একবার যেন কুল বা কোনো গভীর প্রাণ শব্দটা ভাবলে এই যে এখানে মুঠো মুঠো বালি তুলে নাও রোদের জা

পিঠ নিচে শুয়ে থাকলে একসময় সারা যতনে নীল একধরনের পোকা ও রা যেন কথা বোঝে বা শুনতে পায় …….. খুব সামনে মুখে র সামনে রেখে দাঁড়াতে  ……. একটা জিনিষ লক্ষ্য করলে দেখতে পাবে, পা চামড়া গুলো যেন আমরাই আমরা মৃত পুংশকে ধারাবিবরণী শেষে এখন উপায় জানাচ্ছেন ঘোষক

ঠিক জানি না কতদিন কতদিবস রর

কখনও ছায়া দেখলে বাষট্টি বছরের এক সময়কে গুলি তে ঝাঁঝরা ফিরে আসা মুচলেখা জানিয়েছে

 

এখন বসন্ত না? ঝরে যাওয়া পাতা আঁচলে গুটিয়ে ধরো একটা হাত একটা করে পাতা তুলছে হাওয়া আবার আবার সমস্ত সভ্যতার সীমানা দাঁড়ালে দূ        র ওই যে আকাশ নীল তারই চওড়া বুক কয়েকটা পাখি ব্বুক ব্বুক ওদের কি ডান বলে? সন্ধ্যে আসছে আর কিছু পরেই

 

কেন্দ্রাতীত

খানিকক্ষণ চোখ বন্ধ কর। করেছিস? ভাব একটা কামারশালা। হাতুড়ির ঠং ঠং       ছড়িয়ে পড়ছে দ্যোতানা। যদি চারিদিকে তাকাস, এ ঘরটারই। ওই যে ঝুলিয়ে রাখা রবারের চাকা, তার পাশে আগুন জ্বালা র, তারও পাশে মুখ বেঁকানো একটা লোহার  …….. সবাই সবাই মৃদু কেঁপেছে। এমনকি তুইও। ঠং এ ঘরের সর্বত্র তার জিভের ভাব, চেটে নেওয়া ঠোঁট, দাঁতের কুচি। মুখ বোধহয় একটু কুঁচকেছে। আর যে হাত তালু মুঠিতে ওই হাতুড়ির তার ধরার প্রতিটা ফাঁক, প্রত্যেক কেন্দ্রবিন্দু, রেখা, তাদের কণায় কণায় তারা ঘাম বয়। তারা ঘামের  …….. ওই যে হাতের ফাঁক ভাঁজ কনুইয়ের শেষ কাঁধের মোচড় গলা কন্ঠনালী র হাড়, ধক্ বুকের পাঁজর। দুখানা তীব্র তীব্র ছিট। বাদামী। সহজ বেয়ে নাভি আরো আরো আরো নিচে …….. তুই ভাবছিস আমি তো এখানে দাঁড়িয়ে এই যে ঘর ঠং শব্দের দ্রোণ। যে ঘামটা কামারের তালু বেয়ে কামার গর্ভ প্রভ্যর্থা পেরিয়ে এখন  ……. সেখানেও তুই। তুই ই তো। চোখে জল পড়েছে। হালকা মুছে নে। দেখ কামারের গুঁড়ো গুঁড়ো চোখে, ওই যে আচ্ছাদন ঢাকা কালো জলের আড়াল, চোখ। ওই ওই জলেও তুই, তুই ই তো। শরীরের অঙ্গ বেয়ে ধাবমান এক চাঁদের কণা, পৃথিবীর আলোকবর্ষ ছাড়িয়ে তোর জানলায়। জানলার বাইরে তুই রাখা। দেখছিস তাকে

 

বিভাগ:তথন, Uncategorized

উচ্চারণ ওয়েব ম্যাগাজিন

কথাদের স্পর্ধা

১ টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s