রঘুপুরের রহস্য

উত্তীয় ভট্টাচার্য

“ নস্ট্রাদামুসের নাম শুনেছেন মশাই ? ” , চা খেতে খেতে আমায় প্রশ্ন করলেন মোহনলালবাবু ।
“ নষ্ট কি  বললেন ? ” , প্রশ্ন করলাম ।
“ নস্ট্রাদামুস,  নস্ট্রাদামুস । ” , খিঁচিয়ে উঠলেন মোহনলালবাবু  ।
মোহনলালবাবু আমার অফিসের কলিগ । আমার চেয়ে বয়সে বছর বিশেক বড়ো হলেও বন্ধুর মতোই মেশেন । বিপত্নীক মোহনলালবাবু রবিবার বিকেল করে আমার বাড়ি আসেন চা খেতে । দুজনে মিলে চা খেতে খেতে নানা বিষয়ে গল্প করি । তেমনি এক বিকেলে এই বিদঘুটে প্রশ্ন ওনার ।
স্বীকার করতে হলো যে ওরকম কারুর নাম শুনিনি ।
মোহনলালবাবু খিঁচিয়ে উঠলেন, “ তা শুনবে কেন ? আজকালকার ছেলেরা তো মুখে বই গুঁজে কোনোরকমে পাস করে চাকরির ধান্দায় লেগে পড়ে । তারা কি আর এসবের মর্ম বুঝবে ? ”
কাঁচুমাচু মুখ করে রইলাম । মোহনলালবাবু লেখক মানুষ । মানে তেমন কোনো ম্যাগাজিনে লেখা না বেরোলেও নিজের ডায়রিতে প্রচুর লেখা লিখে ভর্তি করেন । একদিন ডায়রির খানিকটা পড়িয়েছিলেন । যদিও অধিকাংশ লেখাই গাঁজাখুরি আর বোকাবোকা লেগেছে ,  তবে উনি মনে করেন একদিন না একদিন ওনার লেখার মর্ম বুঝবে সবাই । মর্ম শব্দটা মোহনলালবাবুর খুব ফেবারিট । কথায় কথায় ব্যবহার করেন শব্দটা ।

আমি বললাম  , “ তা আপনার ওই নষ্টদামুটা কে ? ”
— নষ্টদামু না , নস্ট্রাদামুস । বলছি । আগে একটা সিগারেট দাও দেখি ।

সিগারেট ধরিয়ে সোফায় আয়েশ করে বসে মোহনলালবাবু বলতে শুরু করলেন, “ নস্ট্রাদামুস হলেন ষোড়শ শতকের ফ্রান্সে জন্মানো একজন ইহুদি অ্যাস্ট্রোলজার । ভবিষ্যদ্বক্তা হিসেবে খ্যাতি ছিলো তাঁর । তাঁর একটা বইতে বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছিলেন তিনি । নস্ট্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী বলে বিখ্যাত সেগুলো । অদ্ভুতভাবে প্রায় সব কটাই মিলে গেছে । ”
অবাক হলাম একটু, “ তাই নাকি ? ”
“ হ্যাঁ । সম্রাট হেনরির অপমৃত্যু,  লন্ডনে 1666 সালের ভয়াবহ আগুন, তারপর ফরাসী বিপ্লব … এগুলোর সবকটাই নস্ট্রাদামুস বলে গেছেন । তাও বহু আগে । ”
“ বলেন কি মশাই ? ”
“ হুহু,  শুধু এটাই না । হিরোশিমা-নাগাসাকির হত্যাকাণ্ড , হিটলারের উত্থান , হালের ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসা ইত্যাদি আরো অনেক কিছুই বলে গেছিলেন ভদ্রলোক । ”
“ বাপ রে  ! ”
“ নস্ট্রাদামুসের মর্ম আজকালকার ছেলেপিলে কি বুঝবে !  ”

চুপ করে রইলাম । মোহনলালবাবু যা বলছেন,  সেটা সত্যি হলে বিস্ময়কর ব্যপার বইকি !
হঠাৎ মোহনলালবাবু বলে উঠলেন “ এ বাবা ! ”
“ কি হলো ?  ”, বলে ওঠার সাথেসাথেই ব্যপারটা নজরে এলো ।
সিগারেটের ছাই পড়ে সোফার কাপড় অনেকখানি ফুটো হয়ে গেছে । গোল ফুটোর মধ্যে দিয়ে তুলো দেখা যাচ্ছে । এরকম গোলগোল ফুটো অবশ্য সারা সোফা জুড়েই আছে । সবই মোহনলালবাবুর কীর্তি ।
মোহনলালবাবু কাঁচুমাচু মুখে বললেন,  “ এক্সট্রিমলি সরি শতদ্রু । ইশশ, বড্ড ভুল হয়ে গেলো । সোফাটা নষ্ট করে দিলাম । তোমাকে  পরের উইকেই একটা নতুন সোফাসেট গিফট করবো । ”
“ ধুর,  কি যে বলেন ! সামান্য একটু সিগারেটের ছাইয়ের জন্য…  ”
“ না না,  এই নিয়ে এটা অনেকবার হলো । সোফার কাপড়টা আমার জন্যেই খারাপ হয়ে গেলো । তাছাড়া তোমার জন্মদিনেও দেওয়া হয়নি কিছু । ”
“ ও হোক গে.. ”
“ চুপ করো তো ! সোফার  মর্ম তোমরা আজকালকার ছেলেরা বুঝবে না । যাকগে,  যেটা বলছিলাম । ”
“ বলুন । ”



মোহনলালবাবু বললেন, “ তোমাকে নস্ট্রাদামুসের কথা কেন বললাম জানো ? রঘুপুরে এক সাধুবাবার আবির্ভাব হয়েছে । সে নাকি হুবহু একরকম ভবিষ্যদ্বাণী করে । এমনকি মিলেও গেছে কিছু কিছু বক্তব্য । এমনকি টাকাও নেয়না কোনো । অনেক লোকজন ওনাকে দেখতে যায় । ”
“ ভারতীয় নস্ট্রাদামুস নাকি ? ”
“ সে কি করে বলি ! যাকগে,  যাবে নাকি একবার ? বলো তো পরের রোববার আমার গাড়িটা করে বেরিয়ে পড়ি । ”
এখান থেকে রঘুপুর গাড়ি করে ঘন্টাখানেকের পথ । রবিবারগুলো ফাঁকাই কাটে । সাধুবাবাকে একবার দেখে এলে আপত্তি কি !
মোহনলালবাবুকে বলে দিলাম, “ বেশ তবে চলুন । পরের রবিবার যাওয়া হচ্ছে । এখান থেকে ব্রেকফাস্ট করে সকাল এগারোটার মধ্যে বেরিয়ে পড়বো । ”


2.


পরের রোববার রঘুপুর পৌঁছে সাধুবাবার আস্তানা খুঁজতে খুঁজতে একটা বেজে গেলো । একটা বড়ো বটগাছের তলায় সাধুবাবার ঠেক । সেখানেই আমাদের মতো প্রচুর লোক সাধুবাবার দর্শনের লোভে জড়ো হয়েছে ।

গাছতলায় বসে আছে সাধুবাবা । বিরাট বড়ো জটা , গায়ে ছাইমাখা,  পাশে গাঁজার ছিলিম । তবে গলাটা বেশ গমগমে । এক এক করে লাইন দিয়ে তারা সাধুবাবার সামনে যাচ্ছে আর সাধুবাবা তাদের ভবিষ্যত বলে দিচ্ছে । যেমন কবে চাকরি পাবে বা বিবাহজীবন কেমন কাটবে এসব ।
দৃশ্য দেখেই ভক্তি চলে গেলো । মোহনলালবাবুকে বললাম, “ দেখলেন তো আপনার সাধু ! যতোসব বুজরুকি ! ”
মোহনলালবাবুও দেখলাম হতাশ হয়েছেন । নস্ট্রাদামুসের গল্প শুনিয়ে গেঁয়ো যোগী দেখলে হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক বইকি ।
তাও কোনোরকমে বললেন, “ অ্যাতোদূর এলাম ! একটু কথা বলে যাবে না ? ”
“ ধুস,  ভন্ড সন্নাসীদের যাথে কথা বলার একটুও ইচ্ছে নেই । খুব ভালো জীবন কাটবে,  পরের মাসে চাকরি হবে এসব গালভরা কথা বলে টাকা হাতায় এরা । চলুন ফেরা যাক । বিকেলের মধ্যে ফিরতে পারলে চায়ের সাথে গরম গরম চিকেন পকোড়া হবে । ”

বলে পেছনদিকে ফিরে হাঁটতে লাগলাম । আসাটাই বৃথা হলো আজ  !
হঠাৎ  এক বাজখাঁই আওয়াজে পিলে চমকে উঠলো, “ এই যে অবিশ্বাসী । ”
ঘুরে দাঁড়ালাম । ততক্ষণে চারপাশের সব লোকজন পুরো চুপ হয়ে গেছে । সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে । বুঝলাম আওয়াজটা সাধুবাবার গলা থেকে বেরিয়েছে আর সেটা আমার উদ্দেশ্যেই ।
তবে অবাক করা ব্যপার হলো সাধুবাবা আর আমাদের মধ্যে দূরত্ব দশ হাতেরও বেশি । আমার বলা কথাগুলো সাধুবাবার কর্ণগোচর হওয়া অসম্ভব ।

সাধুবাবা আমাদের দিকে আঙুল তুলে বললেন, “ বিদেশী  জিনিস বিশ্বাস করিস , অথচ দেশের জিনিসকে ভন্ড বলিস ? ”
গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোলো না । আড়চোখে দেখলাম মোহনলালবাবুও থতমত খেয়ে গেছেন ।
সাধুবাবা কয়েক সেকেন্ড আমার দিকে ভুরু কুঁচকে একদৃষ্টে চেয়ে থেকে বললেন, “ তাহলে প্রমাণ দিতে হবে দেখছি । আচ্ছা শুনে রাখ ব্যাটা । কাল তোর কপালে এক ভয়ানক দুর্ঘটনা নাচছে । প্রাণনাশও হতে পারে । আমার কথা মিথ্যে হলে আমার অ্যাদ্দিনের তপস্যা ব্যর্থ হয়ে যাবে । ”
গাছতলায় তখন একটা পিন ফেললে আওয়াজ শোনা যাবে । সাধুবাবার চোখ দিয়ে যেন আগুন জ্বলছে । আমার গলা শুকিয়ে কাঠ । জামায় হঠাৎ  টান পড়লো । মোহনলালবাবুর গলা পেলাম, “ চলে এসো চলে এসো । ”
পেছন ফিরে মোহনলালবাবুর সাথে গাড়ির দিকে হাঁটা লাগালাম । কানে এলো সাধুবাবার কথার শেষটুকু, “তোর সাথে যে আছে, একমাত্র সেই রক্ষা করতে পারে… ”


3.


পরের দিন আর অফিস গেলাম না । যতোই ভন্ড সাধু বলে তাচ্ছিল্য করি, প্রাণের ভয়ে দেখালে বুকটা কেঁপে ওঠে বইকি ।
“ আজকের দিনটা রেস্ট নাও । অফিস যেতে হবে না । ” , আমায় সকালে ফোন করে বললেন ।
“ হুমম,  ঠিক আছে । ”
“ ভাবছি আমিও যাবো না । তোমার বাড়িতেই দুপুরটা কাটিয়ে আসবো । ”

বুঝতে পারলাম সাধুবাবার ভবিষ্যদ্বাণী মনে করেই একথা বলছেন ভদ্রলোক । তবে ভেতরের ভয়ার্ত ভাবটা প্রকাশ করলাম না । হেসে উড়িয়ে দিলাম, “ আরে না না,  আই অ্যাম ফাইন । আপনি অফিস যান । ”
“ শিওর তুমি ? ”
“ একদম । ”
“ বেশ । আমি তবে অফিস করে একবার ঘুরে যাবো । চা-টা বানিয়ে রেখো । চায়ের মর্ম খুব কম লোকেই বোঝে, হেঁহেঁ । ”

বাড়িতে থাকলেও সারাদিন খুব সাবধানে কাটালাম । প্রত্যেকটা সিঁড়ি দেখে দেখে ধীরেসুস্থে নামলাম । অন্য দিনের  মতো ভিজে হাতে সুইচে হাত দিইনি । পারতপক্ষে বাড়ি থেকেই বেরোইনি । রান্না করতে গ্যাসের কাছেও যাইনি । দুপুরের খাবার অর্ডার দিয়ে দিলাম ।

বিপত্তি হলো সন্ধ্যে সাতটার দিকে । কফি বানাবো বলে গ্যাসটা জ্বালিয়েছিলাম । দুধটা গরম করতে দিয়ে বাথরুমে গেলাম । কিন্তু বাথরুম থেকে বেরোতেই কারেন্ট অফ হয়ে গেলো । টর্চের ব্যাটারিটাও আগের দিন শেষ হয়ে গেছে । অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে ড্রয়ারের কাছে গিয়ে লাইটারটা জ্বালালাম ।
কিন্তু তাড়াতাড়ি রান্নাঘরে যেতে হবে । নাহলে দুধ উথলে পড়বে । তাড়াহুড়ো করে রান্নাঘরে গিয়ে গ্যাস নেভাতেই বেডরুম থেকে টিংটিং করে মোবাইলটা বেজে উঠলো ।

নিশ্চয়ই মা । এই সময়ে মা ফোনে না পেলে খুব চিন্তা করবে । অন্ধকারে তাড়াতাড়ি পা ফেলে বেডরুমে গিয়ে ফোনটা নিতে যাবো, তখনি কেমন যেন পৃথিবীটা ঘুরে গেলো ।
ভিজে পা মার্বেল ফ্লোরে পিছলে গেলো । টাল সামলাতে দেওয়াল ধরতে গিয়ে হাত পড়লো জানলায় , অন্যহাতে মোবাইল ধরা । আর গরমকালে জানলা খুলেই রাখি আমি ।
ফলে জানলায় ভর দেওয়ার বদলে সোজা খোলা জানলা দিয়ে পাকা আমের মতো টুক করে গলে গেলাম ।
নীচে পড়তে পড়তে শুধু এটুকু মনে হলো যে তিনতলা বাড়ি থেকে মাটিতে  পড়লে আর রক্ষা নেই ।
পড়ন্ত অবস্থাতেই মুখ দিয়ে প্রাণপণ চিৎকার বেরিয়ে এলো, “ সাধুবাবাআআআ… ”
তারপরেরটুকু আর মনে নেই ।


4.


চোখ খুললো যখন,  দেখি নিজের ঘরের বিছানায় শুয়ে । সকালের আলো বিছানায় পড়ছে । সবার আগে চোখে পড়লো মোহনলালবাবুকে । উদ্বিগ্ন মুখে তাকিয়ে আছেন । পাশে ডাঃ বসু ।
বিছানায়  উঠে বসলাম । ডাঃ বসু বললেন, “ কি শতদ্রুবাবু,  ঠিক লাগছে শরীর ? ”
“ হ্যাঁ । ”
“ গুড । মোহনলালবাবু , আমি তাহলে উঠি আজ । চিন্তার কিছু নেই । ঘাড়ে শুধু হালকা ফোলা আছে । আপনি ওই ওষুধগুলো ঠিকভাবে দিয়ে দেবেন ওনাকে । ”

ডাক্তারবাবু বেরিয়ে গেলেন । মোহনলালবাবু এবার বললেন, “ কি ব্যপার বলো তো ? কাল রাতে কি হয়েছিলো ? ”
ধরা গলায় বললাম, “ তেমন কিছু না । ”
“উঁহু , কিছু তো হয়েছেই । না হলে তিনতলা থেকে সাধুবাবা বলে চিৎকার করে লাফিয়ে পড়লে কেন ? কি কেস ? সাধুবাবা ভূত সেজে ভয় দেখাতে এসেছিলো নাকি ! ”

মোহনলালবাবুকে সব কথা খুলে বললাম । সবটা শুনে হাসতে লাগলেন উনি । হতভম্বের মতো বললাম, “ হাসছেন ?  আর অতো উঁচু থেকে পড়েও আমার তেমন চোট লাগেনি কেন ? ”
মোহনলালবাবু হাসতে হাসতেই বললেন, “ যাই বলো শতদ্রু , রঘুপুরের সাধুর ভবিষ্যদ্বাণী কিন্তু মিলে গেলো । ”
“মা.. মানে ? ”
“ সেই যে সাধুবাবা বলেছিলো না যে তোমার দুর্ঘটনা একমাত্র আমি আটকাতে পারবো ! ”
“ হ্যাঁ তো ? ”

মোহনলালবাবুর কথা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেলাম । আমি পা পিছলে তিনতলার জানলা থেকে পড়েছিলাম ঠিকই , তবে ঠিক তখনই মোহনলালবাবু নিচে ছিলেন । অবশ্য একা ছিলেননা । সেদিন সোফা পোড়ানোর প্রায়শ্চিত্ত হিসাবে একটা নতুন সোফা কিনে নিয়ে আসছিলেন । দোকানের দুটো ছেলে সেটা ধরে নিয়ে আসছিলো । আর আমি হুড়মুড় করে তিনতলা থেকে ঠিক সেই সোফার ওপরেই পড়ি । নরম গদি বলে চোট লাগেনি তেমন,  শুধু ঘাড়ে হালকা আঘাত ছাড়া ।
আর অতো উঁচু থেকে পড়ার আতঙ্ক আর সাধুবাবার সেই ভয়ানক ভবিষ্যদ্বাণী … এই দুইয়ের ভয়ে সোফায় ল্যান্ড করার আগেই চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে যাই আমি । তাই কিছু বুঝতে পারিনি ।

মোহনলালবাবু কথা শেষ করে বললেন, “ দেখলে গেঁয়ো সাধুর ক্ষমতা ? ভাগ্যিস আমি তখন সোফা নিয়ে আসছিলাম । নাহলে কেলেংকারি হতো একটা । ওনার ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্য মিলে গেলো পুরো । ”
“ হুমম… ”
“ হেঁহেঁহেঁ,  আগেই বলেছিলাম সোফার মর্ম তোমরা আজকালকার ছেলেরা বুঝবে না । ”

বিভাগ:দীর্ঘসূত্র

উচ্চারণ ওয়েব ম্যাগাজিন

কথাদের স্পর্ধা

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s