স্বপ্নের

SmartSelect_20200219-225622_Gallery-01

স্বপ্নে আজ দেখলাম ঋষিকে দেখলাম। ঋষি কে বলোতো, তখন কোন ক্লাসে পড়ি সিক্স বা সেভেন ও করতো কি রোজ ফেরার সময় একটা গোলাপী নীল সাইকেল, ওর দিদির সাইকেল ছিলো ওটা সম্ভবত। তো ওটা নিয়েই দাঁড়িয়ে থাকতো ওই রিক্সা স্ট্যান্ডটার পাশে। কথা তো কিছু বলতো না শুধু দাঁড়িয়েই থাকতো সাইকেলটা নিয়ে। রোজ দেখতে দেখতে না একসময় এমন হয়েছিলো যে ও যে ওখানে দাঁড়িয়ে থাকে সেটাই কেমন যেন ভুলে গেছিলাম। আরে সত্যি! তো প্রায় বছর তিনেক কি চার পর একদিন সেদিন সম্ভবত ভ্যালেন্টাইন্স ডে ছিলো হ্যাঁ তাই আমার জন্মদিন বাবিন একটা বেশ সুন্দর বেশ গিফ্ট প্যাক দিয়েছে বাবার অফিসে গেছিলাম সেদিন আমি তো বাস থেকে নেমে বেশ হেলতে দুলতে বাড়ি ফিরছি, একটু বেশ উত্তেজনা আছে কি আছে প্যাকেটের ভেতর কতক্ষণে খুলে দেখবো সেটা! তো হঠাৎ সামনে একগোছা লাল একদম গাঢ় কালচে ভেলভেটের মতো গোলাপ গোলাপের তোড়া আর কেউ যেন বললো “তোমার”! গোলাপ ফুল এমনিতেই হঠাৎ করে ধরতে আমার বেশ ভয় করে কে জানে বাবা না দেখে হাত দেবো আর কাঁটা! তো ” তোমার” শুনে মুখ ঘুরিয়ে দেখি বেশ রোগা লম্বা চোখে হালকা পাওয়ারের চশমা হালকা নীল গোলাপী সাইকেলে একটা ছেলে! আর আমি এত হকচকিয়ে গেছি যে কি বলবো আর কি বলবো না! তো বেশ খানিকক্ষণ কতক্ষণ যদিও মনে নেই কুড়ি পঁচিশ সেকেন্ড হবে হয়তো ওর মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম দেন পাশ কাটিয়ে সোজ্জা বাড়ি
বাকিটা রাস্তাটা মনে নেই তবে বাড়ি পৌঁছে বেশ খারাপ লাগছিলো ইশ! ওতগুলো গোলাপ আর দারুণ সুন্দর ছিলো গোলাপগুলো সো নিলেই হতো তায় আবার আজ ভ্যালেন্টাইন্স ডে! তা যাক গে পরে মানে আরো দিন চারেক পর একদিন আমি লাইব্রেরিতে যাচ্ছি সবে বাজারটা পেরিয়েছি সেই নীল গোলাপি সাইকেল আবার সামনে এসে দাঁড়ালো! সাইকেল থেকে নেমে এর আগের দিন যে ফুল দিয়েছিলো সেই বললো, “সরি, তোমার খারাপ লাগবে বুঝতে পারেনি”! তুমি বললে হয়তো ভাববে আমি ইয়ার্কি করছি বা মিথ্যে কথা বলছি বাট আমার তখন ও কে দারুণ একটা কিস করতে ইচ্ছে করছিলো! সত্যি! অদ্ভুত লাগছিলো ওকে সবকিছুর থেকে আলাদা। গালে হালকা মানে সবে সবে উঠছে এমন দাড়ি বেশ বিষণ্ণ মন খারাপ করা চোখ মুখ! কিস তো করা হলো না! বাট বললাম, ” ঠিক আছে তোমাকে সরি হতে হবে না আমিই সরি, রিয়েলি ভীষণ সরি। গোলাপগুলো ফেলে দিয়েছো?”
তো তারপর থেকে কথাও হতো দেখাও ও র বাড়িতেও গেছিলাম এক দুবার। তারপর কি করে কি কারণে হঠাৎ একদিন সব বন্ধ হয়ে গেলো এই দেখা কথা হওয়া মনে নেই! মানে এখন মনে পড়ছে না!
তো আজকে একদম ভোরের দিকে ঘুম ভাঙার জাস্ট আগে ওকেই দেখছিলাম স্বপ্নে! কোনো পাহাড়ে বেড়াতে গেছি আমরা সাথে বেশ বড় একটা টেপরেকর্ডার মিষ্টিমামার যেমন ছিলো না! তেমনই পুরো খয়েরি রঙের কালো হ্যান্ডেল হ্যান্ডেলে আবার একটা চামড়ার কভার পরানো। তো সেটা নিয়েই ও মাঝে মাঝে একবার এদিক একবার ওদিক পাখির ডাক রেকর্ড করছে আর আমাকে বলছে “মোটে কথা বলবে না এখন”! বাকি না আরো কি কি সব ছিলো ঝরণা স্নান করছি কোন একটা দোকানঘর খাটিয়া পাতা! ধুর মনে পড়ছে না গো!
তবে হঠাৎ কেন ওকে দেখলাম কে জানে! বহুকোটি বছর ওর সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। জানিই না কোথায় আছে! তবে স্বপ্নের ঋষিকে দারুণ হ্যান্ডসাম লাগছিলো জানতো, মুখের দাড়িগুলো এখন বেশ স্পষ্ট হয়েছে পুরো বনজঙ্গলের মতোন দাড়ি নয় হালকা ছোপ ছোপ হয় না হালকা দাড়ি ওঠা মুখ ওমন চোখে সরু ফ্রেমের চশমা একটা নীল সাদা লম্বা লম্বা চেকের পাঞ্জাবি পরে ছিলো আর ধূসর রঙের জিন্স

অহনা সরকার

#ফেব্রুয়ারী২০২০

#bangla, #banglalekha, #ahanasarkar, #uchcharan,

২০২০

উচ্চারণ View All →

আমাদের কথার

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: