শুরু, যারপরনাই সন্ধিগ্ধ এক চৈতি

শুরু, যারপরনাই সন্ধিগ্ধ এক চৈতি

 
কোন সে

আয় একটু জড়িয়ে নিই, বোস পাশে। কার শব্দ শুনতে পাচ্ছিস? দেখতো? চোখে কার হাঁটাচলা
একটা নদী পড়ে, বিজনীমোহারী দোকানদারের ওপ
কথা শেষের আগেই ……..
চলে গেছো? ও ইই চলে গেলে
না রে বাবা! এই তো একটু শুধু ঘুরে তাকানো, জল দেখছিলাম, ত্রিকোনা। ত্রিকোনা জল হয় জানিস তো? একটা পায়ে তুই দাঁড়ানো, অন্যটা তোর পা, বাকি অন্য টাও
তার পায়ে সে …………….. ত্রিকোণ মিতির গল্প। মহাসূত্র অনুসারে যে যাকে দেখছে তারই ছায়া সে তারই জল
ঘেঁটে গেলো তো? আয় আগে গল্পটা শেষ করি, ওই যে চোখে বল তো কি দেখছিস ………..

একটা লম্বা উঠান। না বোধহয় রাস্তা পাথরে পাথরে কাটা, পা ফেলে ফেলে কেউ! তার জুতোর রং বাদামী হলুদের ওপর, সোল আরও গাঢ়। পা তোলার ফাঁকে ফাঁকে জুতোর নিচে কাটা চামড়ার দেহাত
রাস্তাটা ভিজে, পাথরে পাথরে জল সোপে র! কিন্তু নাকে ঝটাক ভেজা গন্ধ মাটি র! পাহাড়ী বনপথে যেমন দেখা যায় না! দুধারে আলতো নবান্ন তাদের শাঁখের গা …….. পা থেকে সরিয়ে চোখ ওপরে উঠতে ভয় পাচ্ছে! জানি না কেন কিন্তু পাচ্ছে। যেন হালকা অনুসন্ধান! কেউ নেই যেই মাত্র জানবে ফাঁকা ঘর হা হা করতে করতে তাদের বাঁদুরামী! সে নিচু হয়ে কি যেন কুড়ালো
হাতের আঙুল গুলো! চশমার ওপর ঝুলন্ত কাঁচ চুলের ঝোপ, ডান হাতের দু ‘আঙুলের ফাঁকে সিগারেটের ………. এ মুখ আমি চিনি এ মুখ পরিচিত তার তাকানোয় অদ্ভুত ভাবে এখন! খু ব ধীর হাত সিগারেট থেকে কিছুটা যেন পাশে গলায় আঙ্গুল, ডান হাতে র তর্জনী। অনুসরণে …………….
সকাল কুয়াশা মাখানো সাদা রোঁয়া রোঁয়া সামনে যত দূ র সবুজে সবু জ
একটা পাথর বা খন্ড সেটাও শেওলা আমরা দাঁড়িয়ে অল্প আ ধ মাথা তোলা না না ছোটো বড়ো না না রঙে র সবুজ
আঁশটে হালকা ভেজার মাটি মাটি ……… কেউ যেন খুব ধী খু ব মসৃন তার আঙুল হাত
নাভি পথে দূরত্ব ঘোড়দৌড়ে র শব্দ পায়ের ধূলো

ধীর দুই ক্লান্ত এখন কপালে রাখা কালো শীতের ফাটা আভ
এমন হয়ত নয়। কিন্তু শুনলাম এমনই পেলাম

[২৪শে ডিসেম্বর, ২০১৮. ০২:১৮ মধ্য রাত]

যারপরনাই সন্ধিগ্ধ এক চৈতি

 

শুরুর লেখা শুরু হচ্ছে, এভাবেই। সম্ভবত বইমেলায় হাতে থাকবে, যদি প্রকাশক জোটে, এন্ড তার ইচ্ছে হয়। পিডিএফ আছে। কেউ পুরোটা পড়তে চাইলে জানাতে পারেন। তবে কিনতে হবে। সামান্য পথ সামগ্রী।