বিভাগ: ২০১৯

পেয়ারত্ব

একটা কুকুরের মাথায় গুলি চালালাম ডুম্মুস্ সব খুলি চোখ নাকের চোখ মুখ যে নিঃশ্বাসটা তখনই টেনেছিলো ছিটকে পড়েছে। তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে খুঁজছি এখানে কি আমিও কিছুটা আছি? একটু! ও তো আমাকেও দেখছিলো একটু আগে বিস্কুট দিলাম একটা চেটে চেটে খেলো, এই আঙুলে ডগায় নখে জিভ টানার বশ দাগ। পা দুটোকে ছটিয়ে জিভটা কাৎ মেলে…

Read more পেয়ারত্ব

বন্ধুরা

বন্ধুরা ঘুমিয়ে পড়েছেন, বন্ধুরা সবাই জেগে বন্ধুরা এ ওর হাতের মুঠো কাঁধের ভার গলার বন্ধুরা সবাই চেঁচিয়ে উঠলে হাতের মুঠো আধখোলা কনক মুঠো এমনি ধরা আছে পড়ে মাটিতে জলে ভিজছেন জল রাতের শিশির সন্ধ্যার হিম কনকনে হাত আঙুলে আঙুলের পাতার মাঝ রাখা যেভাবে আঙুলগুলো পেল্লাই চাঁদতারার ঘরে বাকি অন্ধকার কালো খুঁটি খুঁটি খুঁট ধরে হাঁটেন…

Read more বন্ধুরা

শব্দ! খুঁজছি

শব্দ। চুপ করে বসে থেকে খুঁজলে হাত বাড়িয়ে দিয়েছি ভেতরে শুকনো লতা পাতা মাটি উনানের ডিবা পোড়া রোদ হাত ঢুকিয়ে ভেতরে জমে থাকা নাড়ি ভুঁড়ি মাটির শুকনো গায়ে গায়ে জমে থাকা প্রতি ক্ষরে অক্ষরে শরীর কালো জলের ভিজে আকার অভ্যাসে আ আকার মাথা তুললে এই ওপর দেখো তাকাও আলো চোখ বুজে আসছে বসে নেভানো তার…

Read more শব্দ! খুঁজছি

দূর

  চ্যাঁচানিটা ইকো হচ্ছে ফিরে ফিরে আসছে ধাক্কা। শব্দের ধাক্কা। শব্দ দ্রুত থেকে দূতর ত্বরা তাড়াতাড়ি হাঁটার ছল হাঁটতে শিখে হাতিমতাই আমরা জড়ো করা মাছ ও মছলিগুলি লছমনঝুলা কাঁধে বার বার বাঘদন্ডি। সমূহের ওপর থেকে ফাঁকা পড়ে থাকা নিষেধ ঝুলন্ত দূরন্ত। কামড়াগাছি পেরোনোর পর আমরা জানি বুকের পেটের সমদূরত্বের মাংস। দূর নৈনিতাল অহনা সরকার #ডিসেম্বর

Read more দূর

বেদিনী পাতা

বাইরে কেমন তীর তীর হাওয়া উড়ছে। নানা রঙের প্রজাপতি। পাখিগুলো ডাকছে দেখা যাচ্ছে না। একটা চিল বা বাজের ছোটো সামনের ডালটায় বসে। শিরিষ পাতার গাছ। এখনও ঝরা বাকি। মাঝে মাঝেই তীব্র বিকট চিৎকার করতে করতে আকাশ জুড়ে পাখনা মেলা! তাদেরও দেখা যায় না। দেখি নি কোনোদিন। আশ্চর্য এই যে এত কিছুর মধ্যেও কানে এসে লাগা…

Read more বেদিনী পাতা

কিন্তু!

এই রাস্তাটায় এখন হাঁটছি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অন্ধকার। রাস্তার দুধারে শুধু আলো। মাঝে মাঝে বাজি ফাটার শব্দ আসছে, কোনো বিয়েবাড়ি সম্ভবত। বাকিটা অদ্ভুত আলাদা নির্জন। আমার পাশে পাশে একটা কুকুর হাঁটছে শুধু, বোধহয় পাহারা জানাতে। বাকি রাস্তাটা ঠান্ডা! অকূলান শীতের মতো মায়াবীয় কোনো দাদু যেন একমুহুর্তে তার দাড়ির ছায়ায়! এই মাঝখানে ঠিক এই মাঝখানে…

Read more কিন্তু!

ঘুম

ঘুম পাচ্ছে। ঘুমন্ত চারিধারের মধ্যে দেশ বিদেশ দেখতে দেখতে কেন জানিনা আমার খালি ঘুম পাচ্ছে! চারিধার। চারধারে শুধু না সমস্ত ধারে পোষাক পরা পরা উবু হয়ে ঘুমেরা বসে। তাদের মাথা নিচু। দু হাত দিয়ে মাথার খামচাটিকে চুল ধরে ঝ্যাঁকাতে ঝ্যাঁকাতে মাঝে মাঝে বেগুনপোড়ার স্বর! হাতের মাঝে টুপটি করে বসে উকুন মারছে। এত মাথা কেন জটায়?…

Read more ঘুম

সুজাত

পুরুষাবৃত্ত। অণুক্রমিক কালে আমরা সবাই বিরাট। চাঁদের হাসি হেসেছে। হাসি হেসে লুটিয়ে যাবার পর। লুটোয়পুটি পুটপুট গাছের গোড়াগুলো ভাঙছে। অগ্নিমন্ত। কান্তবিহীন দেশে। উপরাজা আমরা সবাই। মনের কোণে মাছিরাঙা একটা দিন আছে, চোখ পড়লে হাত তাড়ানোর ভঙ্গি। কাঁদতে কাঁদতে কাহানীয়া বেশ। বিরাজউপ্যমান মানবীয় মানব পদ। পদবি। নাম জানি না এ বেশেই চারধারে লক্ষ লক্ষ সুজাত। তাদের…

Read more সুজাত

দ্বন্দ্ব

শরীরের যাবতীয় ছন্দ থেমে আসছে। দ্বন্দ্ব। মুখের সাথে মূক ও ভঙ্গি। শব্দ কথা বলে। শব্দ! ছেড়ে যাচ্ছি আমরা। আমাদের। আমোদতম অন্ধকার রাস্তায় হাঁটলে এখনো চাঁদটা দেখা যায়, জানলার ওই কোণা ধরে শব্দ। আমরা ভাঙছি। চুরি যাবার পর যাবতীয় ২. একটা শরীর কাঁপছে, কাঁদছে। ওকে আরো কাঁদতে দাও। কাঁপতে। শীতের মতো। অ খন্ড চাদরে কুচি কুচি…

Read more দ্বন্দ্ব

শ্নিশ

মাটি জড়ো করে করে একটা গাছ। শ্নিশে। নীল সবুজ কেন্দ্র অধরা। নীলের আলোটা হালকা জ্বলেছে হালকটা উপরে তাকালে সোজা টান টান, গহীন শন্নবেশ। আঙুলে ঠেকিয়ে দেখছি। নাড়াচাড়ায় কাঁটা ছেঁড়া পথ ও পথ। মুখে ঠেকালে ঠোঁট নিঃশব্দ। একটা হাত গুটি কতক আঙুল নরম হাত বাড়িয়ে নিঃশ্বাসের মুঠি। নাক পরিহার দেহ কোঁচানো পাড়ের শাড়ি লাফিয়ে হাতের ভাঁজে…

Read more শ্নিশ