বিভাগ: ২০১৯

কিন্তু!

এই রাস্তাটায় এখন হাঁটছি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অন্ধকার। রাস্তার দুধারে শুধু আলো। মাঝে মাঝে বাজি ফাটার শব্দ আসছে, কোনো বিয়েবাড়ি সম্ভবত। বাকিটা অদ্ভুত আলাদা নির্জন। আমার পাশে পাশে একটা কুকুর হাঁটছে শুধু, বোধহয় পাহারা জানাতে। বাকি রাস্তাটা ঠান্ডা! অকূলান শীতের মতো মায়াবীয় কোনো দাদু যেন একমুহুর্তে তার দাড়ির ছায়ায়! এই মাঝখানে ঠিক এই মাঝখানে…

Read more কিন্তু!

ঘুম

ঘুম পাচ্ছে। ঘুমন্ত চারিধারের মধ্যে দেশ বিদেশ দেখতে দেখতে কেন জানিনা আমার খালি ঘুম পাচ্ছে! চারিধার। চারধারে শুধু না সমস্ত ধারে পোষাক পরা পরা উবু হয়ে ঘুমেরা বসে। তাদের মাথা নিচু। দু হাত দিয়ে মাথার খামচাটিকে চুল ধরে ঝ্যাঁকাতে ঝ্যাঁকাতে মাঝে মাঝে বেগুনপোড়ার স্বর! হাতের মাঝে টুপটি করে বসে উকুন মারছে। এত মাথা কেন জটায়?…

Read more ঘুম

সুজাত

পুরুষাবৃত্ত। অণুক্রমিক কালে আমরা সবাই বিরাট। চাঁদের হাসি হেসেছে। হাসি হেসে লুটিয়ে যাবার পর। লুটোয়পুটি পুটপুট গাছের গোড়াগুলো ভাঙছে। অগ্নিমন্ত। কান্তবিহীন দেশে। উপরাজা আমরা সবাই। মনের কোণে মাছিরাঙা একটা দিন আছে, চোখ পড়লে হাত তাড়ানোর ভঙ্গি। কাঁদতে কাঁদতে কাহানীয়া বেশ। বিরাজউপ্যমান মানবীয় মানব পদ। পদবি। নাম জানি না এ বেশেই চারধারে লক্ষ লক্ষ সুজাত। তাদের…

Read more সুজাত

দ্বন্দ্ব

শরীরের যাবতীয় ছন্দ থেমে আসছে। দ্বন্দ্ব। মুখের সাথে মূক ও ভঙ্গি। শব্দ কথা বলে। শব্দ! ছেড়ে যাচ্ছি আমরা। আমাদের। আমোদতম অন্ধকার রাস্তায় হাঁটলে এখনো চাঁদটা দেখা যায়, জানলার ওই কোণা ধরে শব্দ। আমরা ভাঙছি। চুরি যাবার পর যাবতীয় ২. একটা শরীর কাঁপছে, কাঁদছে। ওকে আরো কাঁদতে দাও। কাঁপতে। শীতের মতো। অ খন্ড চাদরে কুচি কুচি…

Read more দ্বন্দ্ব

শ্নিশ

মাটি জড়ো করে করে একটা গাছ। শ্নিশে। নীল সবুজ কেন্দ্র অধরা। নীলের আলোটা হালকা জ্বলেছে হালকটা উপরে তাকালে সোজা টান টান, গহীন শন্নবেশ। আঙুলে ঠেকিয়ে দেখছি। নাড়াচাড়ায় কাঁটা ছেঁড়া পথ ও পথ। মুখে ঠেকালে ঠোঁট নিঃশব্দ। একটা হাত গুটি কতক আঙুল নরম হাত বাড়িয়ে নিঃশ্বাসের মুঠি। নাক পরিহার দেহ কোঁচানো পাড়ের শাড়ি লাফিয়ে হাতের ভাঁজে…

Read more শ্নিশ

কঙ্গে কোমরে

দেখা সে ভাবে অনুমান, কুড়ানো নয়। দেখা একটা চরিত্র। তার চোখ আছে চোখে জহর আছে, জহরে ঝুঁকি লাগলে জলের ছিটে! ঝাঁপও আছে এমনকি ফুরিয়ে গেলে জলের দাম কিন্তু জ! সেই বিকেল থেকে একটা একটা করে কমছে। ফোঁপরনামা। ফোপরায় ডোবানো তালের ভাং। অক্সিজেন দুটো হাইড্রোজেন, এমএলও ফ্যাক্টর! ডোবানো সিঁড়িতে পিঁড়ির ওজন। পিঁপড়ে! পরকীয়া ধান সিদ্ধ মনে…

Read more কঙ্গে কোমরে

সেঁদা সেঁদা

অন্ধ গলি ও তার ধৃতরাষ্ট্র। কেমন সেঁদা সেঁদা গন্ধ! পাচ্ছ! গন্ধের কাছে গিয়ে দাঁড়ালে? ভিজে টোপানো জল। চাদর খদ্দরের। এই প্যান্টের নিচে চাপায় পড়া দাগ কাদার। এই সেলাই কাঁথার দড়ি ভিজে সাইকেলের হর্ণ। এই গলিটার শুরু থেকে ওই ওইই যতদূর পর্যন্ত! দাঁড় করানো সাইকেল ঘোড়ার গাড়ি পানের পিক কাঁচ ওঠানো আইসক্রিম, চুমুর শব্দ! রদ্দি! রেন্ডি!…

Read more সেঁদা সেঁদা

যেমন

পাতাদের ভিড়ে গাছেরা মসৃণ। ওহে ওঠো হে! মনোযোগী হও। মনোদাস। মনের মনকরণে, মম মন রোগ। মনকে বেহাত নিয়েছি। বিদেন্ত কাঁপা ফুলে কাঁটা গাছের সারি। গাছেরা সার বস্তু ছেড়ে। বয়নাং বিঃ ভ্রান্তি ভাতারের ঘরে টুকরো কাপড়ও জলবত তরলং লং ড্রাইভ শেষে। অহনা সরকার #ডিসেম্বর

Read more যেমন

আপেল একটা

অধর। ছায়া পড়েছে বিষণ্ণ। আড়ষ্ট মুখভাগে! আপেলটা কামড়ে কি প্রচন্ড মন খারাপ করলো হঠাৎ! বেশ সবুজ সবুজ কচি রঙের কচকচে আপেল। ছোটোবেলায় আমাদের বাড়িতে যখন শালওয়ালা আসতো, এমন সময়ই এই শীত পড়ার মুখে মুখে। অনেক দর দস্তির পর, কেনাকাটি সামলে, তারা একটা ছোট্টো পুঁটুলি বের করতো, তার থেকে গুটি গুটি দুটো আপেল, একমুঠো কিসমিস আর…

Read more আপেল একটা

আলোর

  আলো। কাঁচের জানলার ওপারে, বাহির। আলো আসছে আদানরতা। র এক মুখ বিরব। চোখের সামনে কয়েক কলমচা ধ্বনি। টুকি মেরে কলমটাকে দেখছে। নিপ, তার জ তার গা বেয়ে এই যে গড়িয়ে গড়িয়ে জিভে নেই। আলো নীল ক্ষেত্র। নীল! তার জলের ভাগ। ভাগে জল রাখলে? আরো ফোঁটা কয়েক আরো! এই তিল তার মধ্যে ফেললাম। রায়এমুখ। হামামচিনি।…

Read more আলোর