বিভাগ: ২০১৯

কঙ্গে কোমরে

দেখা সে ভাবে অনুমান, কুড়ানো নয়। দেখা একটা চরিত্র। তার চোখ আছে চোখে জহর আছে, জহরে ঝুঁকি লাগলে জলের ছিটে! ঝাঁপও আছে এমনকি ফুরিয়ে গেলে জলের দাম কিন্তু জ! সেই বিকেল থেকে একটা একটা করে কমছে। ফোঁপরনামা। ফোপরায় ডোবানো তালের ভাং। অক্সিজেন দুটো হাইড্রোজেন, এমএলও ফ্যাক্টর! ডোবানো সিঁড়িতে পিঁড়ির ওজন। পিঁপড়ে! পরকীয়া ধান সিদ্ধ মনে…

Read more কঙ্গে কোমরে

সেঁদা সেঁদা

অন্ধ গলি ও তার ধৃতরাষ্ট্র। কেমন সেঁদা সেঁদা গন্ধ! পাচ্ছ! গন্ধের কাছে গিয়ে দাঁড়ালে? ভিজে টোপানো জল। চাদর খদ্দরের। এই প্যান্টের নিচে চাপায় পড়া দাগ কাদার। এই সেলাই কাঁথার দড়ি ভিজে সাইকেলের হর্ণ। এই গলিটার শুরু থেকে ওই ওইই যতদূর পর্যন্ত! দাঁড় করানো সাইকেল ঘোড়ার গাড়ি পানের পিক কাঁচ ওঠানো আইসক্রিম, চুমুর শব্দ! রদ্দি! রেন্ডি!…

Read more সেঁদা সেঁদা

যেমন

পাতাদের ভিড়ে গাছেরা মসৃণ। ওহে ওঠো হে! মনোযোগী হও। মনোদাস। মনের মনকরণে, মম মন রোগ। মনকে বেহাত নিয়েছি। বিদেন্ত কাঁপা ফুলে কাঁটা গাছের সারি। গাছেরা সার বস্তু ছেড়ে। বয়নাং বিঃ ভ্রান্তি ভাতারের ঘরে টুকরো কাপড়ও জলবত তরলং লং ড্রাইভ শেষে। অহনা সরকার #ডিসেম্বর

Read more যেমন

আপেল একটা

অধর। ছায়া পড়েছে বিষণ্ণ। আড়ষ্ট মুখভাগে! আপেলটা কামড়ে কি প্রচন্ড মন খারাপ করলো হঠাৎ! বেশ সবুজ সবুজ কচি রঙের কচকচে আপেল। ছোটোবেলায় আমাদের বাড়িতে যখন শালওয়ালা আসতো, এমন সময়ই এই শীত পড়ার মুখে মুখে। অনেক দর দস্তির পর, কেনাকাটি সামলে, তারা একটা ছোট্টো পুঁটুলি বের করতো, তার থেকে গুটি গুটি দুটো আপেল, একমুঠো কিসমিস আর…

Read more আপেল একটা

আলোর

  আলো। কাঁচের জানলার ওপারে, বাহির। আলো আসছে আদানরতা। র এক মুখ বিরব। চোখের সামনে কয়েক কলমচা ধ্বনি। টুকি মেরে কলমটাকে দেখছে। নিপ, তার জ তার গা বেয়ে এই যে গড়িয়ে গড়িয়ে জিভে নেই। আলো নীল ক্ষেত্র। নীল! তার জলের ভাগ। ভাগে জল রাখলে? আরো ফোঁটা কয়েক আরো! এই তিল তার মধ্যে ফেললাম। রায়এমুখ। হামামচিনি।…

Read more আলোর

রা নগরী

আলোর লেখ কমে আসলে, আস্তে আস্তে দিন শুরু। করুনাময়, পুরোনো পাঠানদের রাজত্বে পাপ ও ডিমের ভার। কাগজে কলমে সেই দিনটা শুক্রবার ছিলো, বহঃ রাতের আগে। পল এক নারী, জুড়ানো চোখের বিচার। দেহ হতে নিঃসঙ্গ। আজন্ম ভার বহন করে আসা কূলধার, ওম্ ও ওমিনি। কাঁচের ধার দিয়ে পাঠকে দেখছি। পদকান্ত। কামিনী পহরার বেশ। বীজ একা ধানে,…

Read more রা নগরী

মেঘল

  একটা পুরোনো গোয়ালতুলির পথ। পাঠশালাও বলা চলে হয়তো। জঙ্গলের পথ দিয়ে। তবে জঙ্গল ঠিক নয়, বড় বড় আগাছা। যে যার নিজের মতো বেড়ে উঠেছে। মাঝে সাদা পথটুকু ফাঁকার। এখানেও ধারে সবুজ বনছুঁই। কখনো মাথা ঝোঁকানো গাছ। হালকা হাত ছোঁয়ালে মনের কথা বলে, হাসি, যদি একটু বেশি দাঁড়াও বা ওর কাছ ঘেঁষে আরো কয়েক তলি,…

Read more মেঘল

সবুজ গেট

এ সময় স্কুলে যেতাম আমি। এক গাড়ি বাক্স সাজিয়ে। সবুজ ফিতে সবুজ স্কাট, সাদা মোজা, কালো নিউকাট। মা চামড়া কিনে অর্ডার দিয়ে বানিয়ে দিয়েছিলো। ওই তো এই পুকুরটার উল্টোদিকেই। কাঁচি কাঁটা মেসিনের মতো একটা যন্ত্র, তাতে পা রেখে পা ডুবিয়ে, বৌমার সেলাই মেসিনের মতোন। পা নামলে সূচ ওঠে, পা পড়লে ফোঁড়! স্কুলে যাবার সময় সারা…

Read more সবুজ গেট

পুরুষ পাখি আর

পুরুষ পাখি আর একটা নদীর মধ্যে পার্থক্য কি ? পুরুষ বাসা বাঁধে আর নদী জলের মতো নিজ ছন্দে জোয়ারের জল, গা ভাসানো বুক, মুখে এসে পড়া ধূলো, পা। পুরুষ পাখিটি বড় হলে তার মা হাওয়ার ভার চাপিয়ে, পুরুষ তখন দেশান্তরী। আবার নতুন দেশ ঘর, মাটি, রাত বহিষ্কারের হুংকার। পুরুষ পাখিটি একটা গাছে এসে বাসা বেঁধেছে।…

Read more পুরুষ পাখি আর

শোনো না! ডাকছি

  শোনো। শোনো শোনো না ডাকছি। শোনো আরো জোরে বললে বা আরো দ্রুণ! কাছের বা আস্তের পর! হাঁটি বরঞ্চ কিছুক্ষণ। ওই মনপাড়ার দেশ গাঁ ভুবন চলা মিটিমিটি। গ্রামটা অদ্ভুত কাদামাটির, মাটির ঘেরা ছাঁও। মনোহারী দোকান আছে একটা আমাদের, নানা রঙের দিলখুশ। চারটে ঘুড়ির পর এই একটা কেটেছে এই এই তুমি ছাদ থেকে চেঁচিয়ে ডাকলে “কই…

Read more শোনো না! ডাকছি