বিভাগ: ২০২০

ঘরঘুট্টি

সেই ডাইভারজেন্ট ছবিটা দেখেছিলাম, তেমন মনে হচ্ছে! যেখানে বসে আছি সেখান থেকে জাস্ট রাস্তার টিউবের আলোটা শুধু দেখা যাচ্ছে। অদ্ভুত ভাবে ঠান্ডা শীতল যেন! একটাও পোকা নেই চারপাশে। উল্টোদিকের বাড়িগুলোর মধ্যে জাস্ট একটা বাড়ির দোতলায় আলো জ্বলছে, তাও বোধহয় সিঁড়ির হলদে ব্লাব! কাঁচে সেই হলুদ ছায়াটা পড়েছে! মাঝে মাঝে খুব গম্ভীর থেকে মেঘ ডাকছে! সেটা…

Read more ঘরঘুট্টি

ঘরবাড়ি

ঘুম ভেঙে কি প্রচন্ড মন খারাপ হলো। স্বপ্ন দেখছিলাম, রাজারহাটে আমাদের বাড়ির চারপাশে সব বদলে গেছে সবকিছু! কিচ্ছু চিনতে পারছি না! এখন তো সত্যিই অনেক বদলে গেছে আমি জন্মে বড় হবার পর যেমন দেখেছিলাম তার অনেকটাই নেই। কিন্তু স্বপ্নে দেখলাম কিচ্ছু নেই! আমার ছোটোবেলার স্কুল যেখানে পড়তাম, পাশে একটা পুকুর ছিলো, জানলা দিয়ে দেখলে দেখা…

Read more ঘরবাড়ি

যেমন

নই আর নেই এর মধ্যে পার্থক্য আছে প্রচুর। নই একটা থাকা শব্দ। আছি, নই এমন। আর নেই এটা চূড়ান্ত না থাকা শব্দ। ছিলাম এখন নেই! অবশ্য গাছেদের দেখলে কিন্তু সেটা আলাদা মনে হয় বা হয়ে যায়। যেমন ধরো শীতকালে যে সব গাছের পাতা ঝরে যায়, তখন তারা বলতে পারে “কাল ছিলো তো এখন নেই”! কিন্তু…

Read more যেমন

আশেপাশেই কোথাও

ধর, আমি এই বাড়িটাতে একলা রয়েছি, আর আমার জ্বর হয়েছে। আমি মশারির ভেতর শুয়ে ফ্যানটাকে দেখছি। ফ্যানটাও আমাকে দেখছে, ওরও মুখ চুপ আমারও। ঘরের আলোটা নিভিয়ে দিলে এখন একটা সদস্য বাড়বে, ফ্যানের ছায়া। ফ্যান তখন আর ফ্যানের ছায়া দুজনের হাত সমান দূরত্ব নয় অনেক দূর ফ্যানটা তো আমার মাথার ওপর আর ছায়াটা ওই দূরে দরজার…

Read more আশেপাশেই কোথাও

কতকাল

সন্ধ্যের ধারনার পাশে আমি প্রতিদিন দাঁড়াই নিজমনে। অল্প একটু হাত বাড়াই ক্ষণিক সামান্য যদি ছোঁয়া যায়! যদি! অল্প অল্প থেকে অনেক দূরে তার এখন বর্তমান। রোদের জলে পা ডুবিয়ে বসেছে। পাশের মানুষটিকে, দেখছে খেলা কেমন পা হয়ে শরীর পায়ের পাতা আঙুল রোদ। অনেকদিন আগের কিছু শোনা কথার বিবরণ মনে পড়ে। অনেক দিন আগের। তখন বিকেল…

Read more কতকাল

ভেড়ার গল্প

একজন লোক তিনখানা ভেড়া কিনেছে কুড়ি টাকা কিলো দরে। এবার ভেড়ার সে রুরমা বানাবে সুরাইয়া আর কিছু কিমা। বাজারে গেলো মশলা পাতি কিনতে, কিনে ফেরার সময় দেখে কিছু লোক জটলা করছে ভিড় জমে আছে সবার মাথায় হাত! এবার সে পায়ে সে ভিড়টার সামনে গেলো, হাত টাত দিয়ে ভিড় একটু পাতলা করে ভেতরে ঢুকে দেখে কিছুই…

Read more ভেড়ার গল্প

পেইন্টিং

একা একা একটা মেয়ে স্টেশনে বসে আছে। প্রতিদিন বসে থাকে রোজ দেখি ওকে ট্রেন ধরার সময় আবার ট্রেন থেকে নামার সময় ফিরে। মেয়েটা বোধহয় আর্টিস্ট ছবি আঁকে। ওর ডান হাতে বুকের কাছে একটা বড় কাঠের বোর্ড থাকে আর হাতে ধরা পেন্সিল। বেশ লাগে কিন্তু দেখতে। এটা কি গাছ! কে জানে! হলুদ হলুদ কেমন সব ঝুমকো…

Read more পেইন্টিং

স্বপ্নের

স্বপ্নে আজ দেখলাম ঋষিকে দেখলাম। ঋষি কে বলোতো, তখন কোন ক্লাসে পড়ি সিক্স বা সেভেন ও করতো কি রোজ ফেরার সময় একটা গোলাপী নীল সাইকেল, ওর দিদির সাইকেল ছিলো ওটা সম্ভবত। তো ওটা নিয়েই দাঁড়িয়ে থাকতো ওই রিক্সা স্ট্যান্ডটার পাশে। কথা তো কিছু বলতো না শুধু দাঁড়িয়েই থাকতো সাইকেলটা নিয়ে। রোজ দেখতে দেখতে না একসময়…

Read more স্বপ্নের

য়ূর্ণা

নাভি। উপুড় হয়ে বসা আমি মুখ ডোবাচ্ছি দেখছি ধীরে ধীরে নামিয়ে আনা মুখ চোখ শ্বাস ধীরের আধখোলা আলো থাকে এখানে শিখা তাপ তার সাদা আলো নীলগায় ধীর ধীর আস্তে সর্বস্ব য়ুঁউউ শ্বাস টানা ভেতরে কপাল ভুরু চোখের ওপর মাথার ছুঁইয়ে গলা ঢোঁক স্পর্শ নামা ঠান্ডা দুপাশ ভেতরের দু ছাতি অলঙ্গ তাদের জেগে ওঠা তারা কি…

Read more য়ূর্ণা

তুমি হেরো

যুবরাজ সন্ধি হাঁটছে। নদীর পাড়ে রাতে হাঁটতে বেরোনো তার বহুদিনকার সখ অভ্যেস। নদীর পাড় ধরে ধরে জলে তার ছায়ার ভ্রমণ, হ্রদ। জলে ছায়াটা কেমন কালো গাঢ় অথচ পূর্ণ পূর্ণিমা আজকে সমস্ত বালি চরা গাছপালি নিজের হাতে নিজের গালের সমীণ যুবরাজ হেঁটে চলেন এ চলার কোনো দিনরাত্রি নেই বা পরস্পর এই পথে এই অগসর যে কোনো…

Read more তুমি হেরো